Opens in a new tab

PCOS বা PMOS জয় করে মা হওয়ার স্বপ্ন: যে ৩টি ভুল ধারণা প্রায় প্রতিটি নারী বিশ্বাস করেন

video

Share

PCOS (Polycystic Ovary Syndrome) বা PMOS (Polyendocrine Metabolic Ovarian Syndrome) ধরা পড়ার পর অনেক নারীর মনেই তৈরি হয় গভীর হতাশা আর একরাশ অনিশ্চয়তা। অনেকেই ধরে নেন, মা হওয়ার পথ বুঝি এখানেই চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, PCOS বা PMOS নিয়ে প্রচলিত অধিকাংশ ভীতিই মূলত কিছু ভ্রান্ত ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

আসুন জেনে নিই এমন ৩টি প্রচলিত ভুল ধারণা এবং এর পেছনে থাকা আসল সত্য—

ভুল ধারণা ১: “পিসিওএস মানেই স্থায়ী বন্ধ্যাত্ব বা মা হওয়া অসম্ভব”

আসল সত্য: PCOS বা PMOS থাকা মানেই আজীবন নিঃসন্তান থাকতে হবে—এটি সবচেয়ে বড় কুসংস্কার। রোগের তীব্রতা সবার ক্ষেত্রে এক রকম হয় না। অনেকের ক্ষেত্রেই এটি মৃদু অবস্থায় থাকে এবং সামান্য চিকিৎসার মাধ্যমেই স্বাভাবিক নিয়মে গর্ভধারণ সম্ভব হয়। Early detection (দ্রুত রোগ নির্ণয়) এবং সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে PCOS বা PMOS নিয়েও সফলভাবে গর্ভধারণ করা যায়।

ভুল ধারণা ২: “সমস্যা শুধুই জরায়ুতে, এখানে ওজন বা লাইফস্টাইলের কোনো ভূমিকা নেই”

আসল সত্য: অনেকেই মনে করেন শুধু ওষুধ খেলেই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা মেদ জমলে হরমোনগুলো তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ৫–১০% শরীরের ওজন কমাতে পারলে হরমোনের ভারসাম্য অনেকটাই ফিরে আসে, মাসিক চক্র নিয়মিত হয় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ (Weight Reduction) এখানে অন্যতম মূল চিকিৎসা।

ভুল ধারণা ৩: “পিসিওএসে প্রেগন্যান্সি না আসার কারণ কখনই ঠিক করা যায় না”

আসল সত্য: পিসিওএস আক্রান্ত নারীদের গর্ভধারণে বিলম্ব হওয়ার মূল কারণ হলো অনিয়মিত ওভুলেশন (সময়মতো ডিম্বাণু বড় না হওয়া বা না ফোটা)। ডিম্বাণু না ফুটলে শুক্রাণুর সাথে ফার্টিলাইজেশন সম্ভব হয় না। তবে সুখবর হলো, এটি স্থায়ী কোনো বাধা নয়। পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম এবং প্রয়োজনবোধে চিকিৎসকের পরামর্শে নিরাপদ ওষুধের সাহায্যে ওভুলেশন পুনরায় স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

PCOS বা PMOS কোনো স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা নয়, বরং এটি একটি হরমোনজনিত অবস্থা যা সঠিক লাইফস্টাইল ও চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ভয় বা দুশ্চিন্তায় ভেঙে না পড়ে সঠিক সময়ে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনুন এবং বিশেষজ্ঞ গাইনেকোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে মাতৃত্বের পথে আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যান।

Related content

PMOS"}],"post_type":"women-health","useQueryEditor":true,"signature":"abe5a4de9e956a1d420ef53684edd1b4","post__in":[2295,2297],"orderby":"post__in","paged":1}" data-original-query-vars="[]" data-page="1" data-max-pages="1" data-start="1" data-end="2">

ডায়াবেটিস হেল্পলাইন

*সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত
Copy Link

বন্ধু ও সহকর্মীদের সাথে শেয়ার করুন

আপনার পরিচিতদের সাথে এই তথ্য, সেবা বা রিসোর্স সহজেই শেয়ার করুন এবং তাদেরও উপকৃত হতে সাহায্য করুন।

শেয়ার করার লিংক
শেয়ার অপশন